
ইরানি সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA) এবং তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
গত ২৪ এপ্রিল, ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে উইটকফ ও কুশনারকে পাকিস্তানে পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার মাধ্যমে এ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সূচনা হয়। এর পরদিন, ২৫ এপ্রিল, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলোচনা করেন। তবে মার্কিন প্রতিনিধি দলের আগমনের আগে ইরানি দলের একটি অংশ জরুরি নীতিনির্ধারণী আলোচনার জন্য তেহরানে ফিরে যায়।
বর্তমানে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর আলোচনা চলছে। আরাগচির নেতৃত্বাধীন এই দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। যদিও দুই পক্ষের মধ্যে এখনও উল্লেখযোগ্য মতপার্থক্য বিদ্যমান, তবে মিসর ও পাকিস্তান একটি স্থায়ী চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী।
আলোচনার টেবিলে থাকা প্রধান বিষয়গুলো হলো:
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও নৌ-অবরোধ।
ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি।
ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা।
স্থায়ী ও সম্মানজনক যুদ্ধবিরতি চুক্তি।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছেন। তিনি একদিকে ইরানের সঙ্গে একটি 'চৌকস ও লাভজনক' চুক্তির কথা বলছেন, আবার অন্যদিকে আকাশপথের দীর্ঘ যাত্রার কারণে নিজের সফর বাতিলের দাবি তুলেছেন। তবে ট্রাম্পের নিয়োগকৃত প্রতিনিধি দল শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার এই প্রচেষ্টায়, ইসলামাবাদের বৈঠকটি বর্তমানে সারা বিশ্বের নজরে রয়েছে। ইরানি প্রতিনিধিদলের নতুন নির্দেশনা নিয়ে ফেরার এই আলোচনা কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
তথ্যসূত্র: ডন ও ইরনা।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।